হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউ-এর একটি নিবন্ধে বলা হয়েছে:

১. বন্ধুত্বের মন্দা – বিশ্বজুড়ে বন্ধুত্বের সংখ্যা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে।
২. ১৯৯০ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে “আমার কোনো ঘনিষ্ঠ বন্ধু নেই” এমন কথা বলা মানুষের সংখ্যা চারগুণ বেড়ে ১২ শতাংশে পৌঁছেছে।
৩. এদিকে, যাদের ১০ বা তার বেশি ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল, তাদের সংখ্যা এক-তৃতীয়াংশ কমে গেছে।
৪. ভারতের শহরাঞ্চলেও একই পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে – পরিচিতের সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু প্রকৃত বন্ধুত্ব কমে যাচ্ছে।
৫. আগে মানুষ ক্যাফে, ক্লাব বা অনুষ্ঠানে অপরিচিতদের সাথে মেলামেশা করত। এখন মানুষ ভিড়ের মধ্যেও একা থাকে।
৬. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গত দুই বছরে একা খাওয়া মানুষের সংখ্যা ২৯ শতাংশ বেড়েছে।
৭. স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এমনকি বন্ধুত্বের উপর একটি কোর্স চালু করেছে।
৮. এটি কেবল একটি সামাজিক সমস্যা নয়, এটি একটি সাংস্কৃতিক সমস্যা।
৯. বন্ধুত্বের জন্য সময় বের করা এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং একটি প্রয়োজন।
১০. একাকীত্ব একটি আসক্তিতে পরিণত হচ্ছে। আমরা যদি বন্ধুত্বের মূল্য না দিই, তবে আমরা কেবল নতুন বন্ধুই নয়, পুরানো সম্পর্কগুলোও হারাব।

গবেষণায় দেখা গেছে:

১. একাকীত্ব হৃদরোগ, স্মৃতিভ্রংশ এবং অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ায়।
২. এটি দিনে ১৫টি সিগারেট খাওয়ার মতোই ক্ষতিকর।
৩. মানসিক, শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বন্ধুত্ব অপরিহার্য।
৪. হার্ভার্ডের ৮০ বছরের গবেষণা অনুসারে, প্রকৃত সুখ এবং স্বাস্থ্যের চাবিকাঠি হলো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।
৫. টাকা উপার্জন করা যায়, পদমর্যাদা পরিবর্তন হতে পারে, কিন্তু একজন প্রকৃত বন্ধু তিনিই যিনি প্রতিটি পরিস্থিতিতে আপনার পাশে থাকেন।
৬. বন্ধুত্ব এমন একটি সম্পদ যা কখনও ফুরিয়ে যায় না। তাই কেবল পরিচিতদের নিয়ে সন্তুষ্ট থাকবেন না – বন্ধুদের গুরুত্ব দিন কারণ ভালো বন্ধুরাই প্রকৃত সম্পদ।
৭. বন্ধুত্বকে লালন করুন, সময় দিন, ক্ষমা করুন, স্মৃতি তৈরি করুন।
৮. প্রকৃত বন্ধুদের সাথে জীবন আরও সুন্দর হয়ে ওঠে